Don't Miss
হোম / অর্থনীতি / কাঁকড়া ধরে দৈনিক আয় ১০০০ টাকা!

কাঁকড়া ধরে দৈনিক আয় ১০০০ টাকা!

 

কাঁকড়া ধরে দৈনিক আয় ১০০০ টাকা!

জেলার তালতলী উপজেলার ট্যাংরাগিরি, পাথরঘাটার হরিনঘাটা, সদরের মাঝেরচরে বনাঞ্চলে কাঁকড়া শিকার করে সংসার চলে এক হাজারেরও বেশি পরিবারের। কাঁকড়া শিকারী জেলেরা বনের ভেতরে প্রবাহিত খালগুলোতে কাঁকড়া শিকার করে।বন বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, তালতলী উপজেলার ট্যাংরাগিরি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের আয়তন ৯ হাজার ৯৭৫ একর। হরিণঘাটা ও মাঝেরচর বনের আয়তন প্রায় ১৩ হাজার একরের। বনগুলোর মধ্যে বান্দ্রা খাল, মেরজে আলীর খাল, সিলভারতলীর খাল, ফেচুয়ার খাল, গৌয়মতলার খাল, কেন্দুয়ার খাল, সুদিরের খাল, বগীর দোন খাল ও চরের খালসহ ৩০টির মতো ছোট-বড় খাল রয়েছে।

কাঁকড়া শিকারিরা লোহার রডসহ নানা উপকরণ ব্যবহার করে কৌশলে কাঁকড়া শিকার করে। কাঁকড়া শিকারিরা তালতলী, কলাপাড়া ও বরগুনার বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে কাঁকড়া শিকার করছে। এদের প্রতিদিনের মাথাপিছু আয় ৫০০ থেকে ১ হাজার টাকা। এ টাকা দিয়ে মোটামুটি ভালোভাবেই সংসার চলে যায় বলে জানিয়েছে তারা। কাঁকড়া শিকারি জামিলুর ও মো. আসলাম হাওলাদার জানান, গহীন বনের মধ্যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাঁকড়া শিকার করতে হচ্ছে। কারণ বনগুলোতে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ ও হিংস্র বন্যপ্রাণী। ফকিরহাট মৎস্যজীবী সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুস সালাম হাওলাদার জানান, হরিণঘাটা ও ট্যাংরাগিরি বনাঞ্চলের এক হাজারেরও বেশি পরিবার কাঁকড়া শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করে। কাঁকড়া শিকারীদের কারণেই গহীন অরণ্যের গাছপালা বন চোরদের হাত থেকে রক্ষা পায়।তিনি আরো জানান, এরা প্রকারভেদে ৩০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে আড়তদারের কাছে কাঁকড়া বিক্রি করে। আড়তদাররা কাঁকড়া প্রক্রিয়া করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠায়।বন বিভাগের তালতলীর সকিনা বিট কর্মকর্তা মো. জাহিদ প্রামাণিক জানান, তাদের অনুমতি নিয়ে কাঁকড়া শিকারিরা বনে প্রবেশ করে। এদের বিচরণে বনের কাঠ চোরেরা সহজে বনে প্রবেশ করতে পারে না। জীবিকা নির্বাহের পাশাপাশি প্রকারন্তে তারা বন চৌকির কাজও করছে। তবে এপ্রিল-মে-জুন মাসে প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া ধরা নিষিদ্ধ। এসময় কাঁকড়া শিকারীরা অন্য কাজ করে।

উত্তর দিন

মন্তব্য করুন!

  Subscribe  
এর রিপোর্ট করুন