Don't Miss
হোম / খেলাধুলা / ‘ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য তোমাকে ধন্যবাদ’

‘ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য তোমাকে ধন্যবাদ’

‘ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য তোমাকে ধন্যবাদ’

গত বুধবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন দক্ষিণ আফ্রিকার সবেক অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স। আফ্রিকার এই তারকা ক্রিকেটারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ভারতীয় অধিনায়ক বিরাট কোহলি।

শনিবার নিজের অফিসিয়াল টুইটারে ডি ভিলিয়ার্সকে স্বাগত জানিয়ে কোহলি লেখেন, ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য তোমাকে অনেক শুভেচ্ছা ‘মাই ব্রাদার’৷ আধুনিক ক্রিকেটে তুমি ব্যাটিং স্টাইল বদলে দিয়েছ৷

আইপিএলে বিরাট কোহলির নেতৃত্বাধীন রয়েল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর হয়ে খেলেছেন ভিলিয়ার্স। আইপিএলের প্লে-অফের লড়াইয়ে উঠতে পারেনি ব্যাঙ্গালুরু।

আইপিএল মিশন শেষে দেশে ফিরেই ১৪ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারের ইতি টানেন ভিলিয়ার্স।

ভিলিয়ার্স নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করে বলেন, ফর্মে থেকেই অবসরে যাওয়াটা সঠিক সিদ্ধান্ত। আমার কাছে মনে হয় এটাই সঠিক সময়।

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক এ অধিনায়ক আরও বলেন, সত্যি কথা বলতে আমি অনেক ক্লান্ত। আমার মনে হয় এখনই বিদায় নেয়ার সেরা সময়। আমি অনেক সময় ধরে ভেবেচিন্তে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ক্রিকেট থেকে অবসরে গেলেও আফ্রিকান ক্রিকেটের সবচেয় বড় সমর্থক হয়ে থাকবেন ভিলিয়ার্স।

ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরি হাঁকান এই আফ্রিকান। ২০১৫ সালে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে মাত্র ৩১ বল খেলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ভিলিয়ার্স।

জোহানেসবার্গে সেদিন তিনি ৪৪ বলে ১৬ ছয় এবং নয় বাউন্ডারির সাহায্যে ১৪৯ রানের ইনিংস সাজান। তার সেই দিনের ইনিংসটি একদিনের ক্রিকেটে এখনও দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। তার আগে ২০১৪ সালে ৩৬ বলে সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার কোরি আন্ডারসন।

১৯৯৬ সালে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৩৭ বলে সেঞ্চুরি হাঁকান পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার শহীদ আফ্রিদি। ভিলিয়ার্সই একমাত্র ব্যাটসম্যান যিনি সবচেয়ে বেশি ৭৮ টেস্ট ইনিংসে শূন্য রানে আউট হননি। ২০০৮ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের বিপক্ষে তার সেই রেকর্ডটি ভেঙে যায়।

টেস্টে ধারাবাহিক সবচেয়ে বেশি ১২ ফিফটি গড়ার রেকর্ড আছে ভিলিয়ার্সের। তার ঠিক পরেই অবস্থান ওয়েস্ট ইন্ডিজের তারকা ক্রিকেটার ভিব রিচার্ডের। ধারাবাহিক ১১ ফিফটি করে বাংলাদেশের টেস্ট স্পেশালিস্ট মুমিনুল হক আছেন পাঁচে।

একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ইতিহাসে সবচেয়ে কম ম্যাচ খেলে ৭ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন।

দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে ১১৪ টেস্টে ৫০.৬৬ গড়ে ২২ সেঞ্চুরিতে ৮৭৬৫ রান করেন ভিলিয়ার্স।

ওয়ানডে ক্রিকেটের ২২৮ ম্যাচে ৫৩.৫০ গড়ে ২৫ সেঞ্চুরিতে করেন ৯৫৭৭ রান।

আর টি-টোয়েন্টির ক্ষুদ্র ফর্মেটে দেশের হয়ে ৭৮ ম্যাচে ২৬.১২ গড়ে ১০ ফিফটিতে করেন ১৬৭২ রান।

উত্তর দিন

মন্তব্য করুন!

  Subscribe  
এর রিপোর্ট করুন